খুলনায় জাপা প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা : খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন সরকারের শরিক জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী।

এই নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরার সময় এ কথা জানান, নির্বাচন কমিশনের উপসচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ হোসেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬২ শতাংশ ভোট পড়েছে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ (৩৮ হাজার ৩২৯টি) ভোট না পেলে এ জামানত আর ফেরত পাবেন না সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা। সে ক্ষেত্রে খুলনায় জাতীয় পার্টি (জাপা), সিপিবি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

এই নগরীর মেয়র পদে প্রার্থিতার জন্য ২০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে প্রত্যেক প্রার্থীকে।

খুলনায় মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এ ভোটে ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটি স্থগিত থাকায় বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৬ হাজারের বেশি ভোটার।

মঙ্গলবার খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মেয়র পদের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী। নৌকা প্রতীকে তালুকদার আব্দুল খালেককে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন তিনি।

ফলাফলের শিট বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে পাঠিয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের দেওয়া ফলাফলের তথ্য তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের উপসচিব ফরহাদ হোসেন জানান, মোট ভোটারের মধ্যে মঙ্গলবার ভোট দিয়েছে ৩ লাখ ৬ হাজার ৬৩৬ জন। সে হিসাবে ভোট পড়ার হার ৬২ দশমিক ১৯ শতাংশ।

প্রদত্ত ভোটের মধ্যে বৈধ ভোট ৩ লাখ ৭১টি; বাতিল ভোট রয়েছে ৬ হাজার ৫৬৫টি। স্থগিত তিনটি কেন্দ্রে ভোট রয়েছে ৫ হাজার ৮৩১টি।

গত ২০১৩ সালের নির্বাচনে খুলনায় প্রায় ৬৮ দশমিক ৭০ শতাংশ ভোট পড়ে। সেবার খুলনায় মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৬ জন ভোটারের মধ্যে ৩ লাখ ২ হাজার ৫১৯ জন ভোট দেন।

কে কত ভোট পেল: আওয়ামী লীগের তালুকদার আব্দুল খালেক (নৌকা) পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫১ ভোট; বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ) ১ লাখ ৯ হাজার ২৫১ ভোট। এ ছাড়া জাপার এস এস শফিকুর রহমান (লাঙ্গল) ১ হাজার ৭২; সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে) ৫৩৪ ভোট ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মো. মুজাম্মিল হক (হাতপাখা) ১৪ হাজার ৩৬৩ ভোট পেয়েছেন।

Inline
Inline