খালেদা জিয়াকে নির্জন ও পরিত্যক্ত কারাগারে ফেলে রাখা হয়েছে :ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে দলের নেতা-কর্মীরা। বিএনপি ছাড়াও ২০ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা বেলা ১১টা থেকে এক ঘণ্টার এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

এই জমায়েতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় পাঁচ বছরের জেল দেয়া হয়েছে। তাকে একটি নির্জন, জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত কারাগারে ফেলে রাখা হয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক আইনেও নারী বন্দীদের নির্জন কারাগারে রাখা যাবে না বলা আছে। তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ অবশ্যই কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনবে। সরকার রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। এজন্যই তারা খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ প্রায় ১৫ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। পরে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে নির্বাচন করতে চায় সরকার। এটা হতে দেওয়া যাবে না। অন্যদিকে, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আমাদের সংবিধান, জেলকোডে যে নিয়ম-কানুন আছে, সব কিছুর বরখেলাপ করে বেগম জিয়াকে নির্জন কারাগারে রাখা হয়েছে। তবে আমরা আইনি মোকাবিলা করছি। তাকে মুক্ত করতে আন্দোলনের বিকল্প নেই।

তিনবার স্থান পরিবর্তন : এ কর্মসূচি পালনের জন্য জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেয়ার কথা ঘোষণা করেছিল বিএনপি। তবে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে দলটির পক্ষে পরিবর্তিত স্থান করা হয় রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন। তবে গতকাল সকাল থেকেই ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, মত্স্য ভবন ও শিল্পকলা একাডেমি এলাকায় সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ। প্রস্তুত রাখা হয় প্রিজনভ্যানও। নেতা-কর্মীদের সেখানে দাঁড়াতে দেয়া হয়নি। এরপর তারা চলে আসে দলীয় অফিসের সামনে।

Inline
Inline