‘খালেদা কার্যালয়ে না আসা পর্যন্ত নির্বাচন হবে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা না মানা এবং কারাবন্দি খালেদা জিয়া গুলশান কার্যালয়ে না আসা পর্যন্ত এই দেশে কোনো নির্বাচন হবে না’ বলে দাবি করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।

শনিবার চট্টগ্রাম নগরীর নসিমন ভবনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

খালেদা জিয়ার মুক্তি, সুষ্ঠু নির্বাচনসহ সাত দফা দাবিতে এ সমাবেশ করছে কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষণ দেখেছেন? জনসমুদ্রের মাঝেও পুলিশ চারপাশে অবস্থান নিয়েছে। এটা সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষণ নয়। ভয় নেই, ভয়ের কোনো কারণ নেই, পুরনো কারাগারে যদি আপোষহীন নেত্রী থাকতে পারেন, তাহলে আমরাও কারাগারে যেতে প্রস্তুত আছি।’

জনসভায় ‘স্থানীয় সরকারের কারচুপির নির্বাচনের মতো আগামী জাতীয় সংসদসহ আর কোনো নির্বাচন আমরা এই দেশে আর হতে দেবো না’ বলে মন্তব্য করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়েই আমরা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো। দেশের মানুষ এই অবৈধ সরকারের পতন চায় ভোটে-আলোচনায় অথবা যেকোনো পন্থায়।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর আওয়ামী লীগ বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে অভিযোগ করে নোমান বলেন, ‘এই ঐক্য গঠনের পর আওয়ামী লীগ দিশেহারা হয়ে গেছে। চট্টগ্রামের মাটি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঘাঁটি। এই মাটি থেকেই জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এবার অবৈধ সরকার পতনের আন্দোলনও এই মাটি থেকেই শুরু করা হবে।’

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি শাহাদত হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা কামাল হোসেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ ও মির্জা আব্বাস, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু, কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জেএসডির সহ সভাপতি তানিয়া রব ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাহজাহান ও মীর নাসির, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, গোলাম আকবর খন্দকার ও সুকোমল বড়ুয়া এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।