কেমোথেরাপি

ভুল চিকিৎসা দ্রুত মৃত্যু ঘটাতে পারে, এর প্রধান উদাহরণ হচ্ছে কেমোথেরাপি ।আদৌ কি একজন রোগী এবং তার আত্নীয়-স্বজন দেখাতে পারবেন যে, ক্যানসার হওয়ার পর কেমোথেরাপি নিয়ে বছরের অধিক কাল বেচে আছেন ??? প্রায় সবারই উত্তর আসবে—”না” ।তবে ডাক্তার সাহেবরা বলেন না কেনো ??? কারন ওনারা জানেন >>>—— । কেমোথেরাপি কেনো দেওয়া হয় ? এ প্রশ্ন সবাই করতেই পারেন ??? উত্তরটা হল ১। ডাক্তার যখন বুজতে পারেন ক্যানসার তখনই নিশ্চিত হয়ে যান—অবধারিত তখন আর দেরী করে লাভ কি ? কেমোথেরাপি দিলে একদিকে টেষ্ট করাও হল, অন্যদিকে তরান্বিত হল । ২। কেমোথেরাপি দেওয়ার অন্যদিক হচ্ছে – ক্যনসারের রোগীর শরীরে প্রচন্ড ব্যথা হয় যা অসহনীয় যে ব্যথা থেকে কিছুটা কষ্ট লাঘব করার চেষ্টা । এর পড়েও প্রশ্ন করতে পারেন – তবে কেমোথেরাপি কেনো ???
উত্তরটা হল – ওয়ের্ষ্টান এক্সপেরিমেন্টাল বিজনেস এন্ড কর্পোরেট পলিটিক্স ।
কথাটা আপনাদের পছন্দ নাও হতে পারে তবে অনুরোধ করবো একটু যাচাই করে দেখুন ! একটা ঘটনা উল্যেখ করতেই হচ্ছে – কেমোথেরাপি নিয়েও ছয়মাসের মধ্যে আমার পরিচিত ডা: মাহ্বুবব লিভার সিরোসিসে (লিভার ক্যানসার) মারা গেছেন প্রায় ৪-৫ বছর আগে কিন্তু তারও প্রায় বছরখানেক আগে আমার পরিচিত অন্যজনের লিভার সিরোসিস ধরাপড়ে এবং লিভারে দুটো টিউমার সহ কিন্তু তিনি বেচে আছেন ৬ -৭ বছর বহাল তবিয়তে হোমিও প্যাথি এবং হারবাল ওষুধ খেয়ে । শারীরিক ভাবে সুস্থ আছেন অন্যের সাহায্য ছাড়াই ।তিনি ছিলেন একটা ব্যাংকের সিনিয়ার প্রিন্সিপ্যাল অফিসার বর্ত্ মানে রিটায়ার্ড্ লাইফ লীড করছেন ।এটা লিখলাম শুধু একটা ঘটনা । বিশ্বাস হয় না ??? দেখতে চান ??? যোগাযোগ করুন এ নাম্বারে—০১৭৪৮৪৯৩১৪৫ অথবা ০১৭৮৬৩৭৫৭৭৭ ।
দু:খজনক হলেও বলতে হয় যে, আমাদের দেশের শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ্ ওয়েষ্টার্ন্ ওয়ার্ন্ডকে ফলো করতে গিয়ে নিজেদেরকে এমনি করে ফেলেছে যে, তাদের খারাপ দিকগুলোকে এখনও এরা বর্জ্ন করতে পারছে না যেন রক্তে মিশে গেছে ।ওয়েষ্টার্ন্ ওয়ার্ল্ড্ এখন ঝুকছে হার্বসের দিকে কারন তারা বুঝেগেছে যে জটিল – কঠিন রোগের ওষুধ এ্যলোপ্যাথিতে নেই এবং কেমিক্যালস যুক্ত ওষুধের সাইডএফেক্ট ভয়ানক ।
আমাদের দেশের একটা প্রকৃত সত্য লিখতে বাধ্য হচ্ছি যে, ইসলাম ধর্মকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে অশিক্ষিত মৌলানা – মৌলভী , আর হারবাল ও হেমিওপ্যাথি ওষুধকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে অশিক্ষিত ও কমশিক্ষিত কবিরাজ, ডাক্তার, হেকীম ইত্যাদি আর শিক্ষিত শ্রেনীর কথা বরতে গেলে বলতে হয়,ওনাদের মানষিকতায় যে এত বড় বড় সার্টিফিকেট ধারী ডাক্তাররা কি কম বোঝেন ? না অবশ্যই না । কিন্তু ডায়াগোনিসিস (নির্ভু্ল রোগ নির্ন্য়) করতে না পারলে এবং ওসুধ না থাকলে তিনি কি করবেন ??? অবশ্য ডাক্তার সাহেবদেরকে দোষী করা যায় একটি কারনে যে, ওনারা বেশীর ভাগ রোগীদেরকে বলে দেন না যে অসুখটা কি, এর ওষুধ আবিষ্কার হয়েছে কিনা, পাওয়া যাবে কিনা বা তিনি এই চিকিৎসা করতে পারবেন কিনা ? এগুলো না বলে নিজেদের স্বার্থে র্আনুসাঙ্গিক ওষুধ দিয়ে মাসের পর মাস বছরের পর বছর টেষ্ট করান, ওষুধ পাল্টে পাল্টে ঘোড়াতে থাকেন ।এটা কি ডায়াগেনিসিস না এক্সপেরিমেন্ট ???
যেমন ধরুন আমার জানামতে থাইরয়েড , গ্রাভস্ ডিজিস , আর্থ্রআইটিসের প্রকৃত ওষুধ সাড়াপৃথিবীতে এলোপ্যাথিতে আবিষ্কার হয়নি । যার চিকিৎসা একমাএ এখন পর্য্ন্ত হার্বসের মাধ্যমে সারানো সম্ভব যেটাকে আমি চ্যালেজ্ঞ করতে পারি কিন্তু ডাক্তার সাহেবরা এ সকল রোগের চিকিৎসা করতে গিয়ে সাইডএফেক্ট যুক্ত যে সকল ওষুধ প্রয়োগ করেছেন এতে রোগী ৩ – ৪ বছর চিকিৎসা নিয়ে এখন বিছানায় পরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছেন যেটা আমার স্বচক্ষে দেখা ।

যাহোক আমাদের বোধদয় কবে হবে সেই আশা নিয়েই লিখলাম । তবে একটা অনুরোধ করতে চাই যে, হার্ব্সকে দয়া করে অবহেলা করবেন না ।
প্রকৃত হার্বালিষ্টকে খুজে বের করুন উপকার হবে কাজে লাগবে । অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাবেন যেটা এ্যলোপ্যাথিতেও এখন পর্য্ন্ত সম্ভব নয় ।

কেমোথেরাপি সম্পর্কে আর একটু তথ্য জেনে রাখুন >>>>>

কেমোথেরাপি ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করে না
বরং শরীরের সুস্থ কোষকেই ধ্বংস করে!
ক্যান্সার চিকিৎসায় সাবধান হউন!
কেমো থেরাপি হচ্ছে বিভিন্ন ঔষধের মাধ্যমে শরীরের ক্যান্সারের কোষকে ধ্বংস করা। এই ঔষধগুলো ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে এগুলো দিতে হয়৷ দীর্ঘ সময় ধরে একটু একটু করে এ ওষুধ রক্তে মিশে যায়।
কেমো থেরাপি নিলে ভয়াবহ রকমের বমি হয়, শরীরে ছিচুনি হয়, ক্ষুধাবোধ একেবারে কমে যায়, শরীর প্রচন্ড রকম দুর্বল হয়ে যায়, মানসিক অবসাদ দেখা দেয়। মাথার চুল, ভ্রু পড়ে যায়।
ডাক্তাররা আজ পর্যন্ত বলে না, ক্যান্সার হওয়ার পর কেমোথেরাপি দিলে ক্যান্সার নির্মূলের হার কতো?
কেমোথেরাপি ক্যান্সার নিরাময়ে সবচেয়ে ভালো (একমাত্র) চিকিৎসা বলে মনে করা হয়। কিন্তু প্রাণঘাতী ক্যান্সারে মানুষ মারা যাওয়ার জন্য প্রধান দায়ী কেমোথেরাপি ৷
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. হার্ডিন বি জোনস ক্যানসার চিকিৎসায় কেমো ও বিভিন্ন থেরাপির ব্যবহার নিয়ে ২৫ বছর ধরে গবেষণা শেষে এমন তথ্য দিয়েছেন।
গবেষণায় তিনি উল্লেখ করেন, ক্যান্সার চিকিৎসা এক ধরনের ব্যবসা, যা শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার চেয়েও বেশি লাভজনক। এই চক্রে প্রতিটি ডাক্তার, প্রতিটি হাসপাতাল, প্রতিটি ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানি এবং সংশ্লিষ্ট সবাই জড়িত।
ব্যবসাটা তখনই শুরু হয়, যখন কোনো রোগী মারাত্মক রোগের “তথাকথিত” চিকিৎসা, যেমন, কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন বা শরীরের কোনো অংশের জটিল চিকিৎসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। রোগীরা যারা কেমো নিতে আসেন, তারা একটি ভয়ংকর পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে যান। কেমো নেওয়া রোগী অন্য যেকোনো চিকিৎসা পদ্ধতির চেয়ে দ্রুত মারা যান এবং অধিক যন্ত্রণা ভোগ করেন। কেমো মানুষের আয়ু সংক্ষিপ্ত করে এবং দ্রুত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এসব বিষয়গুলো কঠিন গোপনীয়তার মধ্যে করা হয়। কারণ এখানে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা জড়িত।’
প্রতিটি ডাক্তার, প্রতিটি সেবিকা, প্রতিটি ওষুধের দোকান, কেমোথেরাপী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান (আমদানীকারক) সকলেই কেমোথেরাপী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থে নিয়মিত “কমিশন” পেয়ে থাকেন।
সম্প্রতি নিউইয়র্ক একাডেমি অব সায়েন্সে প্রকাশিত তার গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘যিনি কেমোথেরাপি নেননি, এমন রোগী কেমো গ্রহণকারীর চেয়ে সাড়ে ১২ বছর বেশি বাঁচেন। কেমোথেরাপি নেওয়ার তিন বছরের মধ্যে রোগী মারা যান। এমনকি কেমোথেরাপি শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেকে মারা যান। স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত নারীরা যারা প্রচলিত বিভিন্ন থেরাপি নেননি তারা অন্যদের চেয়ে চারগুণ বেশি সময় বাঁচেন।’
তিনি বলেন, ‘এসব কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় না। যার ফলে কেমোথেরাপি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সবচেয়ে কার্যকর ওষুধ- এরকম মিথ (মিথ্যা কথা/ কাল্পনিক গল্প) ছড়ানো অব্যাহত থাকবে।’
১৯৭৯ সালের আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন একটি একটি গবেষণায় দেখা যায়, চিকিৎসায় ব্যবহৃত এখন পর্যন্ত কোনো থেরাপি প্রকৃতপক্ষে ক্যান্সারের নিরাময়ে কিংবা মানুষকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি।
ক্যান্সার নিরাময়ে বিভিন্ন থেরাপির ভূমিকা নিয়ে ১৯৭৮ সালেও দুটি গবেষণা করা হয়েছিল। যার একটি হয়েছিল ইসরাইলে ও অন্যটি ব্রিটেনে। দুইটি গবেষণায় ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমো বা বিভিন্ন থেরাপি তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না বলে তথ্য দেয়।
কেমোথেরাপি ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করে না বরং শরীরের সুস্থ কোষকেই ধ্বংস করে। এটা অপ্রকাশিত সত্য যে, যারা ক্যান্সারের কারণে মারা যান, তারা প্রকৃতপক্ষে কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণের কারণে মারা গেছেন।
ধন্যবাদ সকলকে। (এই লেখায় তথ্যগত কোন ভুলের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়)

লেখক: