কেমন এসি কিনবেন

ফিচার ডেস্ক : গরমে নাগরিক জীবনের নাভিশ্বাস। বৃষ্টি খানিকটা স্বস্তি এনে দিলেও তা সাময়িক। দিনের বেশির ভাগটা সময় তাপমাত্রা বাড়তির দিকে। এই সময়ে গরম থেকে রেহাই পেতে অনেকেই ঠাঁই নেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে। যাদের ঘরে এই যন্ত্র নেই তারা হয়তো ভাবছেন এসিটা এবার কিনেই ফেলবেন। যারা এখনও এসি কিনে উঠতে পারেননি কিন্তু কিনতে চান এবং যারা কোন এসি কিনবেন এখনও বুঝে উঠতে পারেননি তাদের জন্য রইলো কিছু পরামর্শ।

স্প্লিট না উইন্ডে?
তুলনামূলকভাবে উইন্ডো থেকে অনেকটাই এগিয়ে স্প্লিট এসি। দেখতে অনেক বেশি স্মার্ট। উইন্ডো এসির ক্ষেত্রে পুরো সেটআপ-টাই এক সঙ্গে থাকে। স্প্লিট এসির ক্ষেত্রে অনেকটা অংশ মূল এসির থেকে দূরে থাকে। ফলে উইন্ডো এসিতে শব্দ হয় কিন্তু স্প্লিট এসিতে কোনও শব্দ হয় না।

ঘরে উইন্ডো এসি বসালে একটা জানালা দখল হয়ে যায়। আলো-বাতাসও কমে যায়। কিন্তু স্প্লিটটের ক্ষেত্রে তা হয় না। তবে সুবিধা যেখানে বেশি দাম তো একটু বেশি হবেই। দেখা গিয়েছে উইন্ডো থেকে স্প্লিটের বাজারদর নূন্যতম ৬ হাজার টাকার মতো বেশি হয়ে থাকে।

এসি না ইনভার্টার?
আপনি কি ইনভার্টার এসি কিনতে চান? ইনভার্টার আর ইনভার্টার এসির মধ্যে গুলিয়ে ফেলবেন না। নামের আগে ইনভার্টার আছে তাই বিদ্যুৎ চলে গেলেও এসি চলবে, এমনটা ভাবলে ভুল করছেন।

সাধারণ এবং ইনভার্টার এসি-র মূল তফাৎ এটা বিদ্যুতের সাশ্রয় করে। এসির কম্প্রেসরকে খুব ধীর গতিতে সক্রিয় রেখে বিদ্যুৎ অপচয় কমানোই মূল লক্ষ্য ইনভার্টার এসির। ফলে প্রতি মাসে বিদ্যুতের বিল অনেক কম আসে। সাধারণ এসির থেকে অনেক বেশি সময় ঘর ঠান্ডা রাখে।

কত টনের এসি চাই?
এসির প্রসঙ্গ এলেই সঙ্গে টনের হিসাবও চলে আসে। অনেকেই ভাবেন টন আসলে ওজন। কিন্তু সেটা ভুল ধারণা। প্রতি ঘণ্টায় যে পরিমাণ তাপ এসি বার করতে পারে, এটা তার পরিমাণ। বাজারে ১.৫ টন, ২ টন এসি রয়েছে। তবে নিজের মতো কিনে নেবেন না। বিক্রয় প্রতিনিধিকে ঘরের মাপ অবশ্যই জানাবেন। আপনার ঘরের জন্য কত টনের এসি লাগানো উচিত সঠিকটা ওই প্রতিনিধিই আপনাকে জানাবেন।

রেটিং দেখে নিন
এসির গায়ে স্টিকারে বেশ কিছু স্টার রেটিং করা রয়েছে। ১ থেকে ৫ পর্যন্ত রেটিংই থাকে সাধারণত। একে বিইই বা ব্যুরো অব এনার্জি এফিসিয়েন্সি বলা হয়। আপনার এসি কতটা বিদ্যুৎ খরচ করে, এটা তারই রেটিং।