কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও কাজী নজরুল ইসলাম হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন বাতিল ও পুনঃতদন্ত, মাস্টার্সের ভর্তি ফি কমানো, শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহন বাস বৃদ্ধি, ২৪ ঘণ্টা আবাসিক ডাক্তার ও অ্যাম্বুলেন্স সংখ্যা বৃদ্ধি, আবাসিক হলগুলোতে খাবারে ভর্তুকি, পরীক্ষার ফরম পূরণ প্রক্রিয়া একই স্থানে সম্পন্ন করাসহ ১৫ দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার দুপুরে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে শাখা ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে এসব দাবি তুলে ধরেন তারা। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর ১৫ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপিও প্রদান করেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের এক বছর পূর্ণ হলেও এখনো পর্যন্ত খুনিদের দৃশ্যমান কোনো শাস্তি দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়া খালেদ সাইফুল্লাহর খুনি বিপ্লব দাসের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যবস্থা না নেয়ায় হতবাক আমরা। কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না, তা প্রশাসনের দুবর্লতা কি না জানতে চাই আমরা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা না করে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বাস বৃদ্ধির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা।এছাড়াও মানববন্ধন থেকে আরও বলা হয়, আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য মান-সম্মত খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে, মেয়েদের হলে ২৪ ঘণ্টা নার্সের ব্যবস্থা করতে হবে; মাস্টার্সের ভর্তি ফি কমাতে হবে। অন্যথায় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা।মানবন্ধনে শাখা ছাত্রলীগের নেতারা বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে ছাত্রলীগ সবসময়ই তৎপর ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলনে ছাত্রলীগের পাশে থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।এসময় উপস্থিত ছিলেন, শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ; সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ; যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ জিসানসহ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলী আশরাফ ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে মামলা করা হয়েছে। এটির বিষয়ে আদালতের বাইরে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। এছাড়াও ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের বাকি দাবিগুলো আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থঅপন করা হবে। সিন্ডিকেটে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’