কাশিমপুরে মীর কাসেমের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সঙ্গে দেখা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় কাশিমপুর কারাগারের পার্ট-২ এ অন্তরীণ কাসেম আলীর সঙ্গে দেখা করতে যান পরিবারের ৬ সদস্য। তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক জানান, দুপুরে মীর কাসেম আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন তার স্ত্রী আয়েশা খাতুন, ছেলে মীর আহমেদ বিন কাসেম, পুত্রবধূ সায়েদা ফাহমিদা আক্তার, মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া, তাহেরা তাসমিম ও ভাগিনা ইমরান হোসেন। এর আগে তারা কারাফটকে আধাঘণ্টা অবস্থান নেন। মামলাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৮ মার্চ মানবতাবিরোধী অপরাধে মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ওই রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর থেকে মীর কাসেম আলী কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২ এর ৪০ নং কনডেম সেলে বন্দী রয়েছেন।

এর আগে ২০১৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মীর কাসেম আলীকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। পরে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ উভয়ের বক্তব্য শেষে আদালত আপিল রায় ঘোষণার তারিখ ২ মার্চ নির্ধারণ করেন। পরে তা ৮ মার্চ পুনঃনির্ধারণ করা হয়।

মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনা ১৪টি অভিযোগের ১০টি প্রমাণিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমসহ ছয়জনকে অপহরণের পর নির্যাতন কেন্দ্রে আটকে রেখে হত্যা করে তাদের মৃতদেহ নদীতে ফেলে দেয়ার অভিযোগসহ হত্যার দু’টি অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।