কারাগারের আদালতে খালেদার অনুপস্থিতিতেই বিচার

নিজস্ব প্রতিবেদক : কারাগারে বসানো আদালতেও আসছেন না বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এই অবস্থায় তার অনুপস্থিতিতেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চলবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বিচারক।

গত ৫ সেপ্টেম্বর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে বসা আদালতের চতুর্থ দিনের শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন বিচারক আখতারুজ্জামান।

একই বিচারকের আদালতেই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে বিএনপি নেত্রীর। আর গত ৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলার শুনানির এক সপ্তাহ আগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় শেষ শুনানি হয়েছে। এই মামলায় আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পর খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষেই আসত রায়।

তবে খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর অসুস্থতার কথা বলে আর আদালতে যাননি এবং এ কারণে মামলাটি ঝুলে যায়। এই পরিস্থিতিতে বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে কারাগারেই আদালত বসে।

৫ সেপ্টেম্বর শুনানিতে উপস্থিত হয়ে খালেদা জিয়া জানান, তিনি অসুস্থ এবং আর আদালতে আসতে পারবেন না। এরপর ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি অনুপস্থিত থাকেন এবং এ সময় দুদক তার অনুপস্থিতিতেই বিচারের আবেদন করে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি করে দুদক। এতে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে তাদের বিচার শুরু হয়।

মামলাটিতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী এবং হারিছের তৎকালীন একান্ত সচিব (বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) জিয়াউল ইসলাম মুন্না, ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।