ওয়ার্ডভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিক সেবা চালু করতে ডিএসসিসি মেয়রের সুপারিশ

ঢাকা, ১৪ মার্চ, ২০১৮ : ইউনিয়ন পর্যায়ের মতো সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা গেলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা একধাপ এগিয়ে যাবে।
‘দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূরীকরণে নগরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণ’ বিষয়ে আজ এক মতবিনিময় সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন একথা বলেন।
মেয়র সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক সেবা চালুর সুপারিশ করে বলেন, এসব কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে শহরের দরিদ্র মানুষের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে তাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় সংসদের মানবাধিকার সম্পর্কিত সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ (এপিপিজি) এবং অতি দারিদ্র ও নগরের দরিদ্র পথবাসী সম্পর্কিত সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ (এপিপিজি) এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মানবাধিকার সম্পর্কিত সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের (এপিপিজি) চেয়ারম্যান ডা. দীপু মনি এমপি’র সভাপতিত্বে ও সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের (এপিপিজি) সেক্রেটারী জেনারেল শিশির শীলের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ, ইসরাফিল আলম, ওয়ারিসাত হোসেন বেলাল বীরপ্রতীক, সানজিদা খানম, ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মো. বিলাল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. নাসিমা সুলতানা ও বেসরকারি সংস্থা কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড’র কান্ট্রি ডিরেক্টর একেএম মুসা। মতবিনিময় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড’র কনসোর্টিয়াম ম্যানেজার ইমরানুল হক।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের হতদারিদ্র জনগোষ্ঠী ও নগরের দরিদ্র পথবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দায়িত্ব বন্টনে মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জরুরি এবং চলমান কার্যক্রমগুলোকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
রোগ নিরাময়ের চেয়ে রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বারোপ করে পথবাসী ও বস্তিবাসী দরিদ্র মানুষের মধ্যে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার উপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়। বস্তি এলাকায় মাদক নিরাময়ের ব্যাপারে একটি সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের আহবান জানিয়ে সাঈদ খোকন বলেন, হতদরিদ্রদের মধ্যে মাদক গ্রহণের প্রবণতা বেশি তাই তাদের মধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা গেলে এর ভয়াবহতা থেকে তরুন প্রজন্মকে নিরাপদ রাখা যাবে।
তিনি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চলমান বিভিন্ন প্রকল্প ও এনজিও কার্যক্রম নজরদারির আওতায় এনে এদের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়েও গ্ররুত্বারোপ করেন।