ঋণখেলাপিদের তালিকা ‘প্রকাশ হচ্ছে’ গণমাধ্যমে

নিজস্ব সংবাদদাতা : ঋণখেলাপিদের তালিকা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বলেছেন, ঋণখেলাপিরা জাতির ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছে। যে টাকাটা অন্যখানে বিনিয়োগ করা যেত, ঋণখেলাপিরা সে টাকা গুম করে দেয়। সময় সময় গণমাধ্যমে এই ঋণখেলাপিদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করা হবে।

বুধবার রাতে সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ঋণখেলাপিদের তালিকা কয়েক দফায় জাতীয় সংসদে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্যরা সহযোগিতা করেছেন। সংসদ সদস্যরা লিস্ট দেখতে চেয়েছেন। আমি সেভাবে কয়েকবার ঋণখেলাপিদের নাম দিয়েছি। তবে, তাদের নাম ঠিকানা কাগজে (পত্র-পত্রিকায়) প্রকাশের চিন্তা কখনো করিনি। বিষয়টি এখনও ভেবে দেখিনি। তবে নিশ্চয়ই করতে পারি। এই প্রস্তাবটি বিবেচনার উপযুক্ত বলে মনে করি। ভবিষ্যতে এটি বিবেচনা করা যেতে পারে। সময় সময় তাদের নাম প্রকাশ করা যেতে পারে।’

জাতীয় পার্টির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মুনিম চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ শতকরা ৯ ভাগ সুদে অর্থায়ন প্রদান করা হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ব্যক্তিগত গ্যারান্টির বিপরীতে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়ক জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

মুহিত বলেন, ‘ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে তাদের বাৎসরিক সামগ্রিক ঋণ বিতরণের মধ্যে এসএমই খাতে ঋণ বিতরণ ২০১৭ সালে অন্যূন শতকরা ২০ ভাগ এবং প্রতিবছর তা কমপক্ষে শতকরা ১ ভাগ বৃদ্ধিসহ অন্যূন শতকরা ২৫ ভাগে উন্নীত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পরিচালিত পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মাধ্যমে স্বল্প সুদে এখাতে অর্থায়নকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে তাদের অর্থায়নের বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।’