আন্দোলনে না জিতলে নির্বাচনেও হার: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে জয়ী না হলে নির্বাচনে জেতা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।শুক্রবার সকালে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে পায়রা সেতুর নির্মাণকাজ পরিদর্শনে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বেলা ১১টার দিকে সেতুমন্ত্রী পায়রা নদীর ওপর পায়রা সেতুর নির্মাণকাজ পরিদর্শনে আসেন। ১ হাজার ২২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে চার লেনের এই সেতুটি ২০১৯ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা।সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দলে যারা থাকে, তারা যদি আন্দোলনে বিজয়ী হতে না পারে, তাহলে নির্বাচনেও তারা জিততে পারে না। এমনটাই আমাদের দেশে হয়ে আসছে।’বিএনপির বিভিন্ন সময় বিশেষ করে ঈদের পর আন্দোলনের ঘোষণার প্রতি ইঙ্গিত করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সাড়ে আট বছরে ১৭টি ঈদ চলে গেছে। এবারও ঈদের পর আন্দোলনের কথা বলে বেগম খালেদা জিয়া স্বেচ্ছানির্বাসনে চলে গেছেন।’আর বছর খানেক পরেই একাদশ জাতীয় সংসদবদ নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হবে। ওই নির্বাচন ঘিরে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দুই দলে। তবে বিএনপি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না বলে সংশয় প্রকাশ করছে। মন্ত্রী নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা হবে জানিয়ে বলেন, ‘একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে যত রকমের সহযোগিতা দরকার, তা প্রদান করবে সরকার।সেতুমন্ত্রী পদ্মা সেতু ও পায়রা সেতুর নির্মাণ সম্পর্কেও কথা বলেন। তিনি জানান, পদ্মা সেতুর পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে পায়রা সেতুরও বড় ভূমিকা রয়েছে। ২০১৮ সালে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে। পায়রা সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার ব্যাপারে সেতু নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা হয়েছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এ সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হবে।পরে মন্ত্রী ফেরিতে পায়রা নদী পেরিয়ে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ অনুষ্ঠানের যোগ দেন।