ইজিবাইকের লাইসেন্সের পে-অর্ডারের শেষদিন আজ

মো: মিজান হাওলাদার, খুলনা থেকে : খুলনায় ব্যাটারীচালিত ইজিবাইকের লাইসেন্সের জন্য পে-অর্ডার জমা দেওয়ার দিন শেষ হচ্ছে আজ মঙ্গলবার।

মঙ্গলবার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) বর্ধিত সময়ে লাইসেন্সের জন্য ১০ হাজার টাকার পে-অর্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন। এ সময়ের মধ্যে প্রায় ৩শ লাইসেন্সের জন্য চূড়ান্ত চালকরা পে-অর্ডার জমা দেননি। তবে তাদের জন্য আজ শেষ সুযোগ। এ সময়ের মধ্যে পে-অর্ডার জমা না দিলে পরবর্তীতে পে-অর্ডার জমা দেওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকছে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র মতে, প্রথম দিন ৭৫৪টি লাইসেন্সের বিপরীতে ২৫৭টি পে-অর্ডার জমা পড়ে। দ্বিতীয় দিন ৭৬২টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৬৬৭টি পে-অর্ডার জমা হয়। তৃতীয় দিনে ৬৮২টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৬৫৩টি পে-অর্ডার জমা হয়। চতুর্থ দিনে ৮১৪টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৭৬৯টি পে-অর্ডার জমা হয়। পঞ্চম দিনে ৮৩৭টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৮১০টি পে-অর্ডার জমা হয়। ষষ্ঠ দিনে ৭৬৪টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৭২৬টি পে-অর্ডার জমা হয়। সপ্তম দিনে ৬৭২টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৬৫৬টি পে-অর্ডার জমা হয়। অস্টম দিনে ৬৮৯টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৬৮১টি পে-অর্ডার জমা হয়। নবম দিনে ৮৪৪টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৮২১টি পে-অর্ডার জমা হয়। এ দিন ২৩টি পে-অর্ডার জমা পড়েনি। দশম দিন ৯৯৩টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৯৭৮টি পে-অর্ডার জমা হয়। এগারতম দিন গতকাল সোমবার ৭৫৪টি লাইসেন্সের বিপরীতে ৫৩৭টি পে-অর্ডার জমা হয়। প্রতিটি পে-অর্ডারের বিপরীতে ১০ হাজার টাকা করে ব্যাংকে জমা দিতে হয়েছে। এ দিন শুধু মাত্র ১.২.৩ নং ওয়ার্ডের ভোটাররা পে-অর্ডার জমা দিতে পেরেছে।  আজ সকল ওয়ার্ডের বাদ পড়া ভোটাররা পে-অর্ডার জমা দিতে পারবেন।

কেসিসির সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুখ হোসেন তালুকদার জানান, পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে পে-অর্ডার জমা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে চলবে আজ ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সে মতে, আজ ১৭ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভোটারদের পে-অর্ডার জমা নেওয়া হবে। তবে এ সময়ের মধ্যে যারা পে-অর্ডার জমা দিতে ব্যর্থ হবেন তারা আর জমা দিতে পারবেন না।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট সাত হাজার ৮শ ১২টি লাইসেন্সের বিপরীতে পে-অর্ডার জমা নেওয়ার জন্য চূড়ান্ত ছিল। কিন্তু জমা হয় ৭ হাজার ৫শ ৫৫টি। জমা হয়নি ২৫৭টি। এছাড়া সিটি মেয়র কিছু লোককে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ দিয়েছেন। তার সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জন হবে। সব মিলিয়ে আজ ৩শ জনের মতো লাইসেন্স প্রার্থীর পে-অর্ডার জমা নেওয়ার টার্গেট রয়েছে বলে তিনি জানান।