আ.লীগ সরকার বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করেই গণমানুষের কাতারে গিয়ে কাজ করে: শেখ আফিল উদ্দিন

এস এম মারুফ, বেনাপোল প্রতিনিধি : সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন বলেছেন, ‘আন্দোলনে ব্যর্থদের জনগণ ভোটেও প্রত্যাখ্যান করেছে। জনগণ বিএনপির আন্দোলনও যেমন প্রত্যাখ্যান করেছে, নির্বাচনেও প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের এ আন্দোলন নামের জালাও পোড়াওয়ে আমার মনে হয় জনগণেরও মাথাব্যথা নেই। আওয়ামী লীগ সরকার বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করেই গণমানুষের কাতারে গিয়ে কাজ করে। আমাদের শপথ হবে, আমরা মাটির কাছে থাকব, মানুষের কাছে থাকব; মানুষের কাজ করব।’

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এ দেশ স্বাধীন করে বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা তৈরি করতে চেয়েছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়ে ছিলেন দেশের মানুষের জন্য কাজ করার। সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ গড়তে যেভাবে তিনি কাজ শুরু করেছিলেন তাতে আর ১০ বছর দেশ চালাতে পারলে এ দেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হতো। কিন্তু পাকিস্তানের প্রেতাত্মা বিএনপি-জামায়াত তা করতে দেয়নি। তারা ৭৫ এর পর ২৯ বছর দেশ চালায়। এ সময় তারা মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের ইতিহাসকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল। যে কারনে, তারা তখন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পর্যন্ত বাজাতে দেয়নি। যে ভাষণ তারা বাজাতে দেয়নি সে ভাষণ আজ জাতিসংঘের ইউনেস্কোতে স্থান পেয়েছে। বিশ্বের মানুষ ৭ মার্চের ভাষণ গ্রহণ করলেও বিএনপি-জামায়াত তা করতে পারেনি।’

উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা যে আশা নিয়ে নৌকায় ভোট দিয়েছেন, যে আশা নিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করেছেন, তার প্রতিদান আওয়ামী লীগই দেবে, তাদের আশা আওয়ামী লীগই পূরণ করবে- ইনশাআল্লাহ।’

এ সংসদ সদস্য আরো বলেন, ‘শুধু সন্ত্রাস, লুটপাট, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারা এবং ব্যাপক হারে মনোনয়ন বাণিজ্যের কারণে বিএনপির এই ভরাডুবি। একই আসনের জন্য সকালে একজন, দুপুরে একজন ও বিকেলে একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়। উপায়ন্তর না পেয়ে অনেকে তো আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক মঞ্জু’র সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষায়ক সম্পাদক এস এম আসিফ উদ-দৌলা সরদার অলক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, কোষাধক্ষ ওয়াহিদুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন শিমুল, বেনাপোল পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদি হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস, ইউপি চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, হোসেন আলী, হাদিউজ্জামান, আব্দুর রসিদ, হাসান ফিরোজ আহমেদ টিঙ্কু, আলহাজ আয়নাল হক, ইলিয়াছ কবির বকুল, মিজানুর রহমান, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী গগন, উপজেলা বাস্তহারা লীগের সভাপতি আবুল হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সরদার, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেল, ১নং ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুর রহমান খাঁন, ২নং লক্ষনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, ৩নং বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, ৪নং বেনাপোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুজ্জামান, ৫নং পুটখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গফ্ফার সরদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, ৬নং গোগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, ৭নং কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, ৮নং বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, ৯নং উলাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী, ১০নং শার্শ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাওসার আলী, সাধারণ সম্পাদক মোরাদ হোসেন, ১১নং নিজামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রমুখ।