আর কখনোই মাংস খাবেন না মেসি!

ক্রীড়া ডেস্ক : সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, শরীর ফিট রাখতে শুধু সবজি খেয়েই দিন কাটছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির। দীর্ঘ ৪ মাস ধরে বিরাট মাছ, মাংস কিছুই খান না। তার স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা আগে থেকেই নিরামিষ ভোজী। এবার কোহলিও স্ত্রীর দেখানো পথেই হাঁটলেন।

কিন্তু শুধু কি কোহলিই! বর্তমান ক্রীড়া দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন যে লিওনেল মেসি। তিনিও খাদ্যাভ্যাস পাল্টানোর ঘোষণা দিয়েছেন। বার্সেলোনার এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার আর কোনও দিন মাংস খাবেন না বলে জানা গেছে।

ক্যারিয়ারের শুরু দিকে অবশ্য খাবারদাবার নিয়ে এতটা সচেতন ছিলেন না মেসি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও আগেই বেশ কিছু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করেছেন। বয়সটাও ত্রিশের কোটা পেরিয়ে গেছে। অতএব নিজেকে মাঠে আর কিছুটা দিন ফিট রাখতে নতুন করে আবারও খাদ্যাভ্যাস পাল্টাচ্ছেন মেসি।

ক্যারিয়ারের শুরুতে ফাস্ট ফুড আর কোমল পানীয় ভীষণ পছন্দ করতেন মেসি। তবে এখন তার ভাষ্য, ‘১৮ কিংবা ১৯ বছর বয়সে আপনি যা খেতে পারবেন ২৭ বছর বয়সে তা পারবেন না।’

একসময় মেসিকে ফিট রাখতে তার খাদ্যতালিকা পরিবর্তন করাতে তৎকালীন বার্সেলোনা কোচ পেপ গার্দিওলাকে এক প্রকার সংগ্রামই করতে হয়েছে।

এর পর ইতালিয়ান পুষ্টিবিদ গিউলিয়ানো পোজার মেসির নতুন খাদ্যতালিকা তৈরি করেছিলেন। যেখানে মেসির জন্য বরাদ্দ ছিল টাটকা ফল, শুকনো ফল, বাদাম আর জলপাই তেলযুক্ত সালাদ। ফাস্ট ফুড, পাস্তা কিংবা মাংস ছিল একেবারেই নিষিদ্ধ।

গত ১০ বছর ধরে গড়ে প্রতিবছর ৪০টি করে গোল করে গেছেন মেসি। ৩১ বছর বয়সেও তার ফর্মে ভাটা পড়েনি। চলতি মৌসুমেও ১১ ম্যাচে করেছেন ১১ গোল। অতএব তার ফিটনেস ঠিক রাখতে তারচেয়েও বেশি সচেতন ক্লাব। মেসি নিজেও খাদ্যাভাস নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক। সূত্র: ডেইলি মেইল