আমার মানহানি করার জন্যই এই মামলা: মোসাদ্দেক

ক্রীড়া প্রতিবেদক : জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন এবং যৌতুকের মামলা ঠুকে দিয়েছেন তার স্ত্রী সামিয়া শারমিন। ডিভোর্সের নয় দিন পর এমন মামলায় অনেকটা অবাক মোসাদ্দেক। তার মতে, হয়রানি এবং সম্মান নষ্ট করার জন্যই এই মামলা করেছেন তার স্ত্রীর পরিবার।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সকল সংবাদ মাধ্যমে মামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে মোসাদ্দেক হোসেন তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘আমার নামে মামলা করা হয়েছে শুনেছি। আমি একটু অবাক হয়েছি যে, ডিভোর্স হওয়ার এতদিন পরে কেন তারা এমন মামলা করেছে। আমি তো কাবিননামা অনুসারে আমার স্ত্রীকে ভরণপোষণের সব টাকা দিতে রাজি আছি।’

মোসাদ্দেক বলেন, ‘এই মামলা ভিত্তিহীন। কারণ আমার যে অর্থিক অবস্থা, তাতে করে স্ত্রীর কাছ থেকে যৌতুক চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আমার সুনাম নষ্ট এবং মানহানি করার জন্যই এই মামলা করেছে আমার স্ত্রীর পরিবার।’

২০১২ সালে আপন খালাতো বোন শারমিনকে বিয়ে করেন মোসাদ্দেক। বিয়ের আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে অবশ্য বিয়ে হয়েছিল দুই পরিবারের সম্মতিতে।

শারমিনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর সব ঠিকঠাক ছিল। দুজনার মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্কই ছিল। কিন্তু ক্রিকেটার খ্যাতি পাওয়ার পর থেকেই পাল্টে যেতে থাকেন মোসাদ্দেক! জড়িয়ে পড়েন মদ, পরনারীতে। নির্যাতন চলতে থাকে স্ত্রীর উপর।

কিন্তু মোসাদ্দেকের দাবি, ‘ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পরে যেহেতু মামলা হয়েছে তাই বলতে হচ্ছে এটির পেছনে অন্য কোনও কারণ আছে। যেটা আমি এখনও সঠিক বুঝতে পারছি না। তবে আমার কাছে মনে হচ্ছে, অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও আমার সম্মান নষ্ট করতেই এমনটি করছে আমার স্ত্রী।’

রবিবার বিকালে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন। মামলায় মোসাদ্দেক ছাড়াও তার মা হোসনে আরা বেগমকেও আসামি করা হয়েছে।

Inline
Inline