আগামী শনিবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে শিশুদের

রাতকানা, অপুষ্টি ও রক্তস্বল্পতাসহ ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত রোগ থেকে শিশুদের রক্ষা করতে ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের আগামী শনিবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এদিন সরকারিভাবে সারাদেশে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সি সব শিশুকে (১,০০,০০০ আই, ইউ)’র একটি নীল রংয়ের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি সব শিশুকে (২,০০,০০০ আই ইউ)’র একটি করে লাল রংয়ের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেসবাহুল ইসলাম বুধবার ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় এসব তথ্য জানান।

মেসবাহুল ইসলাম বলেন, ‘এই কার্যক্রমের আওতায় ডিএনসিসির পাঁচটি অঞ্চলের আওতাধীন ৩৬টি ওয়ার্ডে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (২য় রাউন্ড) উদযাপন করা হবে।’ জনসচেতনতা বাড়াতে শুক্রবার থেকে মসজিদের মাইকে ও শনিবার ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এলাকাজুড়ে মাইকিং করা হবে বলে তিনি জানান।

ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হাসান বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ের আগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ যেন বেরিয়ে না যায় সে জন্য আমরা সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে রাখবো।’

কর্মশালায় বলা হয়, ‘এই কার্যক্রমে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের লক্ষ্যমাত্রা ৬৮ হাজার ৭৬৯ জন। ১২ মাস থেকে ৫৯ মাসের শিশুদের লক্ষ্যমাত্রা চার লাখ ছয় হাজার ৭৭৭ চন। মোট কেন্দ্র এক হাজার ৪৯৯টি। এর মধ্যে মোট স্থায়ী কেন্দ্র ৪৯টি এবং অস্থায়ী কেন্দ্র এক হাজার ৪৫০টি। মোট স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী দুই হাজার ৯৯৮ জন। প্রথম সারির সুপারভাইজার ১৮৩ জন, দ্বিতীয় সারির সুপার ভাইজার ১০৩ জন।’

কর্মশালায় জানানো হয়, ‘শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোতে কোনো ঝুঁকি নেই। ২৫টা পর্যন্ত ক্যাপসুল খাওয়ানোর পর হয়তো শিশুদের সমস্যা হবে। এখানে শিশুদের মাত্র একটি ক্যাপসুল নির্দ্বিধায় খাওয়ানো যাবে। সাধারণত গাঢ় রঙিন সবজিতে ভিটামিন-এ থাকে, সেই উপাদানই ক্যাপসুলে রয়েছে।’